প্রতিষ্ঠা: ফিনল্যান্ড, ২০২৬

আমাদের সম্পর্কে

একসাথে থাকি, একসাথে লড়ি — কর্মীদের নেটওয়ার্ক, কর্পোরেট ব্যানার নয়।

ইতিহাস

২০২৬ সালে ফিনল্যান্ডের হেলসিঙ্কিতে একদল প্রবাসী বসে ভাবলেন: রেমিট্যান্স দেশের অর্থনীতির রক্ত, কিন্তু যে মানুষগুলো সেই টাকা পাঠান তাঁরা বিদেশে প্রায়ই একা, তথ্যহীন, সাহায্যহীন।

REFA সেই ফাঁক ভরাবার চেষ্টা। কোনো বড় অনুদানের অপেক্ষা না করেই চ্যাপ্টার খোলা শুরু — যেখানে কর্মী আছেন, সেখানেই নেটওয়ার্ক। আজ ফিনল্যান্ড সদর দপ্তর; কাল নতুন দেশ যোগ হবে, কারণ তালিকা ডাটাবেজে — পাথরে খোদাই নয়।

লক্ষ্য

প্রবাসী বাংলাদেশি রেমিট্যান্স কর্মীদের মধ্যে আস্থা, সহযোগিতা ও ব্যবহারিক সহায়তার একটি বৈশ্বিক নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা — যাতে কেউ চাকরি, থাকার জায়গা, অসুস্থতা বা নিরাপত্তার সংকটে একা না পড়েন।

দৃষ্টিভঙ্গি

এমন একটি কমিউনিটি যেখানে দেশে দেশে প্রবাসীরা একে অপরকে চেনেন, বিশ্বাস করেন এবং সাহায্য করেন — কর্পোরেট ব্যানার ছাড়া, রাজনৈতিক ব্যানার ছাড়া, শুধু মানুষ হিসেবে।

মূল্যবোধ

সহযোগিতা

কাজ, থাকার জায়গা, ভাষা বা জরুরি মুহূর্তে একে অপরের পাশে দাঁড়ানো — ছোট সাহায্যই বড় পথ খুলে দেয়।

সংহতি

দেশে দেশে প্রবাসীরা এক কমিউনিটি। কারো বিপদ মানে সবার খবর রাখা।

স্বচ্ছতা

সিদ্ধান্ত ও হিসাব খোলামেলা। এটা কারো ব্যক্তিগত প্রতিষ্ঠান নয় — সবার নেটওয়ার্ক।

সেবা

সেবা মানে উপর থেকে দয়া নয়; সহকর্মী হিসেবে সময় ও অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেওয়া।

নেতৃত্ব / পরিচালনা পরিষদ

নউ

নাসির উদ্দিন

সভাপতি

🇫🇮 ফিনল্যান্ড

ফিনল্যান্ডে বসবাসকারী প্রবাসী। REFA গড়ে তোলার উদ্যোক্তা — কর্মীদের নিজেদের সংগঠন চান, উপরে থেকে চাপিয়ে দেওয়া নয়।

শআ

শাহানা আক্তার

সাধারণ সম্পাদক

🇬🇧 যুক্তরাজ্য

যুক্তরাজ্য থেকে সমন্বয় করেন। চ্যাপ্টারগুলোর মধ্যে খবর ও সিদ্ধান্ত পৌঁছে দেওয়াই তাঁর কাজ।

আক

আব্দুল করিম

কোষাধ্যক্ষ

🇸🇦 সৌদি আরব

স্বচ্ছ হিসাব রাখা এবং জরুরি সহায়তার ছোট তহবিল দেখাশোনা করেন।

রই

রফিকুল ইসলাম

সদস্য (ইউরোপ সমন্বয়)

🇪🇸 স্পেন

স্পেনসহ ইউরোপের চ্যাপ্টারগুলোকে সংযুক্ত রাখেন।

নব

নাজমা বেগম

সদস্য (উপসাগরীয় সমন্বয়)

🇰🇼 কুয়েত

উপসাগরীয় দেশের কর্মীদের বাস্তব সমস্যা তুলে ধরেন পরিষদে।